New Kashi Vishwanath Temple in Bengali. - Esso Pori- Read Now

Latest

রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১

New Kashi Vishwanath Temple in Bengali.

 

  
Kashi Vishwanath Temple in Bengali.

  Kashi Vishwanath Temple in Bengali.

  Varanasi, UttarPradesh, India.

   (One of the 'Jyotirlingam' Shiva Temple in India. A great pilgrim and tourist place.)  

         কাশী বিশ্বনাথ মন্দির
    বারানসী, উত্তরপ্রদেশ, ভারত।

  (ভারতবর্ষের অন্যতম 'জ্যোতির্লিঙ্গম্' শিব মন্দির ও তীর্থক্ষেত্র)

  ভারতবর্ষে অবস্থিত দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ শিব মন্দিরগুলির মধ্যে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরটি অন্যতম একটি তীর্থক্ষেত্ররূপে বিবেচিত হয়। জ্যোতির্লিঙ্গ অর্থাৎ 'জ্যোতি' অর্থ হল উজ্জ্বল আলোক ও 'লিঙ্গ' অর্থে স্তম্ভ। মুলতঃ উজ্জ্বল আলোক স্তম্ভরূপে দেবাদিদেব মহাদেবের প্রকাশই জ্যোতির্লিঙ্গ শিব।
  বিশ্বেশ্বর মহাদেবের মন্দিরটি বারানসীর পবিত্র গঙ্গানদীর পশ্চিম তীরে বিশ্বনাথ গলিতে অবস্থিত। প্রাচীন কাশী নগরীর গঙ্গানদী তীরে এই পবিত্র মন্দির দর্শন ও বিশ্বেশ্বরের পূজার্চনার জন্য ভারত তথা বিদেশ থেকেও হাজার হাজার দর্শনার্থী ও ভক্ত এখানে সমবেত হয়। বিশেষত, প্রধান উৎসব মহাশিবরাত্রির পূণ্যলগ্নে  এখানে বিশাল জনসমাগম হয়ে থাকে।

          দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির
  1) সোমনাথ, সৌরাষ্ট্র, গুজরাট,
  2) মল্লিকার্জুন, শ্রীশৈলম্, অন্ধ্রপ্রদেশ,
  3) মহাকালেশ্বর, উজ্জয়িনী, মধ্যপ্রদেশ,
  4) ওঙ্কারেশ্বর, খান্ডোয়া, মধ্যপ্রদেশ,
  5) কেদারনাথ, কেদারনাথ, উত্তরাখণ্ড,
  6) ভীমশঙ্কর, ভীমাশঙ্কর, মহারাষ্ট্র,
  7) বিশ্বনাথ, বারানসী, উত্তরপ্রদেশ,
  8) ত্র্যম্বকেশ্বর, ত্র্যম্বকেশ্বর, নাসিক, মহারাষ্ট্র,
  9) বৈদ্যনাথ, বৈদ্যনাথ, ঝাড়খণ্ড,
  10) নাগেশ্বর, দ্বারকা, গুজরাট,
  11) রামেশ্বরম্, রামেশ্বরম্, তামিলনাড়ু, (এখানে জ্যোতির্লিঙ্গটি বিশাল),
  12) ঘৃষ্ণেশ্বর, ইলোরা, ঔরঙ্গাবাদ, মহারাষ্ট্র।
  (দুই-একটি স্থান নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, সংখ্যার হিসাবে কোন মতানৈক্য নাই।)

  পুরাণ বর্ণিত মহাদেবের জ্যোতির্লিঙ্গরূপ ধারণ কাহিনী

  সনাতন হিন্দু ধর্মানুসারে, 'ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বর, তিনে মিলে ঈশ্বর'। শিব পুরাণ অনুযায়ী ব্রহ্মা সৃষ্টি করেন, বিষ্ণু সৃষ্টি রক্ষা করেন ও মহেশ্বর সৃষ্টি বিনাশ করেন।
  একদা প্রভূ বিষ্ণু ও ব্রহ্মার মধ্যে কে প্রধান এই বিষয়ে তর্ক শুরু হয়। তাঁরা নিজেরা উভয়েই দাবী করতে থাকেন যে তিনিই প্রধান।  
  এই তর্কের মীমাংসার জন্য তাঁরা মহেশ্বরের নিকট উপস্থিত হন। তিনি একটি পরীক্ষার ব্যবস্থা করে বলেন যে এর দ্বারা প্রমাণ হবে যে কে বড়।
  মহাদেব স্বর্গ, মর্ত্য, পাতাল, ত্রিলোক ব্যাপী একটি অনাদি-অনন্ত গর্তের সৃষ্টি করেন।  তিনি সেই ফাঁকা গর্তের মধ্যে এক উজ্জ্বল জ্যোতির্লিঙ্গরূপ ধারণ করে অধিষ্ঠান করেন। 
  তিনি ব্রহ্মা ও বিষ্ণুকে সেই জ্যোতির্লিঙ্গের তলদেশ ও ঊর্দ্ধসীমা দেখে আসতে বলেন।
  বিষ্ণু তলবিন্দু সন্ধানে বরাহরূপ ধারণ করেন এবং সেই উদ্দেশ্যে পাতালে প্রবেশ করেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসেন ও মহাদেবের নিকট তা ব্যক্ত করেন।
  অপরদিকে, ব্রহ্মা পক্ষীরূপ ধারণ করে ঊর্দ্ধসীমার দিকে গমন করেন। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে যা অনাদি-অনন্ত তার ঊর্দ্ধও নাই, অধঃও নাই। ফলে তিনিও অকৃতকার্য হন।
  কিন্তু তিনি শ্রেষ্ঠ সেকথা প্রমাণ করার জন্য বিষ্ণু অবশেষে মিথ্যার আশ্রয় নেন। তিনি মহাদেবকে বলেন যে তিনি ঊর্দ্ধেদেশ দেখেছেন ও তার নিদর্শনস্বরূপ একটি কেতকী পুষ্প প্রদর্শন করেন, যা ঊর্দ্ধদেশ থেকে আনা হয়েছে। 
  মহাদেব বুঝলেন যে কে সত্য ও কে মিথ্যা বলছেন। সেই মূহুর্তে ক্রোধান্বিত হয়ে তিনি মহাকালরূপ ধারণ করলেন এবং মিথ্যা কথনের শাস্তিস্বরূপ ব্রহ্মার পঞ্চম আনন কর্তিত করলেন।
  পুরাণ অনুযায়ী, ব্রহ্মা ছিলেন পঞ্চমুখ যা তাঁকে চতুরানন আখ্যায় ভূষিত করল। এছাড়া, মহাদেব তাঁকে অভিশাপ দিলেন যে তিনি কোন মন্দিরে পূজিত হবেন না।
  তাই প্রভূ ব্রহ্মা আজও সৃষ্টির দেবতা হলেও কোন মন্দিরে পূজিত হন না। মর্ত্যলোকে পূজা পাওয়ার অধিকার তিনি সেই থেকে হারিয়েছেন।
  মর্ত্যধামে সেই জ্যোতির্লিঙ্গ যে সকল স্থানে আবির্ভূত হয়েছিল সেগুলিতে  জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির অনুরূপ একটি জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির হিসাবে গণ্য হয়।

  মহাদেবের অনেকরূপ থাকলেও তিনি মাত্র দ্বাদশটি জ্যোতির্লিঙ্গ রূপে পূজিত হন।
  প্রাচীন স্কন্ধ পুরাণের 'শিব খণ্ড' অংশে কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়।
  শতাব্দী প্রাচীন এই বিশ্বেশ্বর মন্দির মুসলিম আক্রমনকারীদের দ্বারা ও মুসলিম শাসনকালে বহুবার ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে এবং পূনর্গঠিত হয়েছে।
  দ্বাদশ শতাব্দীর শেষভাগে সাল 1194খৃঃ মুহম্মদ ঘুরীর সেনাপতি কুতুবুদ্দিন আইবেক কনৌজের রাজাকে পরাজিত করে কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির ধ্বংস ও লুন্ঠন করেন। সুলতান ইলতুৎমিসের শাসনকালে একজন গুজরাটি ধনী ব্যবসায়ী মন্দিরটি পূনর্গঠিত করেন।
  সিকন্দর লোদির(1489-1517) মতান্তরে হুসেইন শাহ  সার্কির(1447-1458) শাসনকালে মন্দিরটি পুনঃ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। মন্দিরটি রাজা মান সিং ও পরে রাজা টোডরমল কর্তৃক সম্রাট আকবরের অর্থানুকুল্যে পুনঃ নির্মিত হয়।
  সপ্তদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে 1669 খৃঃ সম্রাট ঔরঙ্গজেব মূল মন্দিরটিকে ধ্বংস করে 'জ্ঞানবাপী মসজিদ' নির্মান করেন।
  মন্দিরের অভ্যন্তরে এই জ্ঞানবাপী কূপটির অর্থ জ্ঞানভাণ্ডার কূপ। কথিত আছে, এই কূপটি স্বয়ং বিশ্বেশ্বর, মন্দিরে অবস্থিত জ্যোতির্লিঙ্গটিকে শীতল করার লক্ষ্যে খনন করেন। যার অর্থ অসীমকে, অনন্তকে জানার জন্য  প্রয়োজন বিবেক, বৈরাগ্য, জ্ঞান।       
    আজও মসজিদটির গঠনশৈলী ও  প্রাচীন কালের ভিত্তি, অবশিষ্ট স্তম্ভচিত্র ও পশ্চাৎ দিকের চিত্র থেকে পরিষ্কার, প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের অবশিষ্ট বলে বোঝা যায়। 
  সাল ছ1742খৃঃ ঐ স্থানের ভারপ্রাপ্ত শাসনকর্তা অযোধ্যার নবাবের বাধা দানের জন্য মহারাজা মালহার সিং হোলকার কর্তৃক মসজিদ ধ্বংস করে মন্দিরটি পূনর্গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হতে পারেনি।
  এছাড়া, জয়পুরের মহারাজা, মসজিদ সংলগ্ন চতুস্পার্শস্থিত জমি ক্রয় করে মন্দিরটি পুনর্নিমান করবেন বলে স্থির করেন। তিনি সেই উদ্দেশ্য নিয়ে, একটি জমি জরিপের দল গঠন করেন ও সেখানে প্রেরণ করেন। কিন্তু সেই উদ্যোগও ফলপ্রসু হয়নি।
  এই ধরনের আরও বহু মহারাজা ও ধনী ব্যবসায়ীগণের উদ্যোগে মন্দিরটি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে, প্রভূ বিশ্বেশ্বরের জ্যোতির্লিঙ্গ মন্দির আজ এই অবস্থায় পৌঁছেছে।
   মহারাজা মালহার সিং হোলকারের পুত্রবধূ মহারানী অহিল্যা বাঈ হোলকার 1780খৃঃ মসজিদের সন্নিকটে বর্তমান মন্দিরটি নির্মান করেন।
  গোয়ালিয়রের মহারাজা দৌলত রাও সিন্ধিয়ার বিধবা মহারানী বৈজা বাঈ 1828খৃঃ জ্ঞানবাপী মসজিদের সন্নিকটস্থ স্থানে 40টি স্তম্ভ সম্বলিত একটি নীচু ছাদযুক্ত স্থান নির্মান করেন।
  শিখ মহারাজা পাঞ্জাব কেশরী রঞ্জিত সিং 1835খৃঃ বিশ্বেশ্বর মন্দিরের চূড়াটি সোনার পাত দ্বারা আচ্ছাদিত করার জন্য এক টন (1000কিগ্রা) সোনা দান করেন। তা দিয়ে চূড়াটি সোনার পাত দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। সেজন্য কাশী বিশ্বেশ্বর মন্দিরকে 'স্বর্ণ মন্দির'ও বলা হয়।
  নাগপুরের রঘুজী ভোঁসলে -।।।  প্রচুর পরিমাণ রূপা কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে প্রদান করেন। এছাড়া,1860খৃঃ নেপাল রাজ্যের  রানা একটি 7ফুট উচ্চ নন্দীকেশ ষণ্ডের মূর্তি কাশীর মন্দিরে দান করেন। নন্দীকেশের ঐ
মূর্তিটি  বর্তমানে ঐ নিম্ন ছাদযুক্ত চত্বরের পূর্বাংশে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।
  কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এলাকাটিতে ছোটবড় অনেক মন্দির রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান মন্দিরের অভ্যন্তরভাগে  60সেমি উচ্চ এবং 90সেমি ব্যাসবিশিষ্ট বিশ্বেশ্বর শিবলিঙ্গ একটি রৌপ্য নির্মিত বেদিকার উপর আসীন।
  এছাড়া আরও কয়েকটি ছোট ছোট শিবমন্দির রয়েছে। সেগুলির নাম যেমন, কালভৈরব, বিনায়ক, অবিমুক্তেশ্বর, বিরুপাক্ষ, দণ্ডপাণি, শনীশ্বর, বিষ্ণু প্রভৃতি মন্দির।
  কথিত আছে, মুসলমান আক্রমণের সময় মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শিবলিঙ্গটিকে নিজ প্রাণের বিনিময়ে রক্ষা করেন। তিনি শিবলিঙ্গসহ জ্ঞানবাপী কূপের ভিতরে ঝাঁপ দেন।
  কাশী বিশ্বেশ্বর মন্দিরের পরিচালনাভার 1983 সাল থেকে উত্তরপ্রদেশ সরকার গ্রহণ করেছে।

  কাশী বিশ্বনাথ মন্দির খোলা ও বন্ধের সময়সূচী
  মন্দির খোলা হয়ঃ 3AM
             বন্ধ হয়ঃ   11PM
  মঙ্গল আরতির সময়সূচী
  মঙ্গল আরতি 3AM - 4AM (সকাল)
  ভোগ আরতি 11-15AM - 12-20PM
  সন্ধ্যা আরতি  7PM - 8.15PM
  ভোগ আরতি ও শয়নঃ 10-30PM - 11PM
 
  কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে মোবাইল ফোন, ক্যামেরা প্রভৃতি কোনপ্রকার ইলেক্ট্রনিক গ্যাজেটস্ সহ ভিতরে প্রবেশ নিষিদ্ধ। বহির্ভাগে ফুল, প্রসাদের দোকানে রাখা লকারে সেগুলি রেখে যেতে হয়।

  কিভাবে যাবেন
  বারানসী শহরের সঙ্গে বিমান, রেল ও সড়ক যোগাযোগ খুবই উন্নত।
  1) বিমান পথঃ লাল বাহাদুর শাস্ত্রী বিমান বন্দর, বাবতপুর। সেখান থেকে মন্দির মাত্র 20-25কিমি।
  2) রেল পথঃ বারানসীতে বেশ কয়েকটি রেল স্টেশন রয়েছে।
  ক) বারানসী জংশন স্টেশন। মন্দিরের দূরত্ব মাত্র 6কিমি।
  খ) সবথেকে নিকটবর্তী বারানসী সিটি স্টেশন। মন্দিরের দূরত্ব মাত্র 2কিমি।
 
  কাশী ও তৎসংলগ্ন দর্শনীয় স্থানসমূহ
1) নতুন বিশ্বনাথ মন্দির, কাশী,
  2) কাশী বিশ্বনাথ মন্দির,
  3) দুর্গা মন্দির,
  4) আলমগীর মসজিদ
  5) ভারতমাতা মন্দির,
  6) দশাশ্বমেধ ঘাট,
  7) মানমন্দির ঘাট,
  8) মণিকর্ণিকা ঘাট ও শক্তিপীঠ
  9) জ্ঞানবাপী কূপ,
  10) রামনগর ফোর্ট,
  11) সঙ্কটমোচন হনুমান মন্দির,
  12) চুনার ফোর্ট। ইত্যাদি।

কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের সৌন্দর্যায়ন 2021-

 বিগত 8ই মার্চ 2019 কাশী বিশ্বনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ শিব মন্দিরের প্রবেশপথটির সম্প্রসারণ ও সৌন্দর্যায়নের উদ্দেশ্যে  প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদিজী, তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের শিলান্যাস করেছিলেন।


  কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের প্রবেশপথটি তীর্থযাত্রী ও ভ্রমণার্থীদের পক্ষে যাতে সুগম হয় ও গঙ্গানদীর ঘাট থেকে মন্দির সহজে আসা যায়, সেই লক্ষ্যে এর সূচনা হয়।


  গত 13ই ডিসেম্বর 2021 মাত্র তিন বৎসরের মধ্যে প্রায় 390 কোটী টাকার এই করিডোর  (corridor) উন্নয়ন প্রকল্পের  উদ্বোধন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী মোদিজী করলেন।

  

  পবিত্র গঙ্গা নদী থেকে মন্দিরের প্রবেশপথটি যাত্রীগণের সুবিধার্থে,  সম্প্রসারিত করা হয়েছে, সৌন্দর্যায়ন করা হয়েছে, 23টি সৌধ, যেমন, মুমুক্ষ ভবন, ভোগশালা,  বৈদিক কেন্দ্র, সিটি মিউজিয়াম(city museum), পরিদর্শন গ্যালারী(viewing gallery), ফুড কোর্ট(food court) প্রভৃতি এই প্রকল্পের অংশ হিসাবে তিনি উদ্বোধন করেন।  


  যাত্রীগণের সুবিধার্থে ও মন্দিরের উন্নয়নে বিগত 1780খৃঃ ইন্দৌরের মহারানী অহিল্যাবাঈ হোলকার কর্তৃক নবীকরণের প্রায় তিনশ' বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীজীর এই প্রকল্প রূপায়িত হল।


  মন্দির প্রবেশের ঘিঞ্জি বিশ্বনাথ গলিপথ ও মন্দির বরাবর গঙ্গার ঘাটগুলি, আজ বিস্তৃত, পরিছন্ন, যাত্রাপথ উজ্জ্বল পথবাতি দ্বারা আলোক সজ্জিত ও বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ প্রভৃতির ব্যবস্থা করা হয়েছে।


  এই উন্নয়ন প্রকল্পের ফলে, প্রায় চল্লিশটি প্রাচীন মন্দির খুঁজে পাওয়া গিয়েছে এবং সেগুলির প্রাচীনতা বজায় রেখে  সংস্কার করা হয়েছে।


  বর্তমানে, ভ্রমণার্থী ও তীর্থ যাত্রীগণের সুযোগ-সুবিধা বাড়ার ফলে, এখানে আগমনের আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

  সুধী পাঠকবৃন্দ, আশা করি লেখাটি আপনাদের ভালো লেগেছে। প্রাচীন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরতে পেরেছি। দয়া করে নিজে পড়ুন ও অন্যদের শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।