What is the meaning of Brihadeshwara in Bengali.
Measurresment used, in Brhadeeshwara tempple of Thanjavur and Gongaikonda Cholapuram, Tamilnadu.
Material used to construct the Brihadeeshwara temple of two places of South India.
The development of architectural skill in Chola Dinasty era.
বৃহদীশ্বর কথার অর্থ কি?
বৃহদীশ্বর মন্দির তাঞ্জাভুর ও গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরমের নির্মানে ব্যবহৃত কিছু মাপ-জোপের বিবরণ।
উভয় বৃহদীশ্বর মন্দির নির্মানে ব্যবহৃত উপাদান।
চোল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষতা।
বৃহদীশ্বর শব্দের অর্থ
কর্ণাটক রাজ্যের চোল রাজবংশের প্রাচীন রাজধানী শহর, তাঞ্জাভুর ও পরবর্তী রাজধানী গঙ্গাইকোণ্ডচোলপুরম্ নামক দুটি স্থানে স্বল্পকালীন ব্যবধানে চোল রাজবংশের দুই রাজার রাজত্বকালে দুটি বৃহদীশ্বর শিব মন্দির নির্মিত হয়েছিল।
বৃহদীশ্বর শব্দটি প্রধানতঃ সংস্কৃত ভাষার অন্তর্ভূক্ত ও সন্ধির সূত্র অনুসারে দুটি শব্দকে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর তা হল, বৃহৎ + ঈশ্বর = বৃহদীশ্বর।
বৃহৎ শব্দের অর্থ আকৃতিগতভাবে বিশাল ও ঈশ্বর অর্থে দেবতা, এখানে দেবাদিদেব মহাদেবকে বোঝানো হয়েছে, যার দৈবরূপ, প্রধানতঃ এই দুই স্থানে দুই বৃহদাকৃতি লিঙ্গরূপে বিরাজমান।
অপরদিকে অবশ্যই বলা যায় যে, দেবাদিদেব মহাদেব, দেবলোকে অন্যান্য দেবদেবীগণের মধ্যে আকৃতিগতভাবে নয়, এক প্রধান দেবতারূপে বিরাজমান, সেইদিক থেকেও তিনি বৃহদীশ্বর।
ঐ মন্দির দুটিতে মহাদেবের আকৃতিগত দিক থেকে, যা বিশাল আকৃতির গ্রানাইট প্রস্তর নির্মিত শিব লিঙ্গরূপে বিরাজমান, সেদিক থেকে বিচার করে সেগুলিকে বৃহদীশ্বর আখ্যায় ভূষিত করা বোধ হয় অন্যায় হবে না।
তাঞ্জাভুর ও গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্, দুটি স্থানের বৃহদীশ্বর শিব মন্দির ও প্রাঙ্গন সংক্রান্ত কিছূ তথ্য :-
* তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দির সংক্রান্ত কিছু তথ্য :-
তাঞ্জাভূরের বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরটি স্থানীয়ভাবে "থাঞ্জাইপেরিয়া কোভিল" বা রাজরাজেশ্বরম্ মন্দির নামে পরিচিত।
বিশাল আকৃতির মন্দিরটি প্রথম রাজরাজ চোল কর্তৃক 1003-1010খৃঃ মধ্যে নির্মিত হয়েছিল।
বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরটি কাবেরী নদীর দক্ষিণ তীরে তামিল নাড়ু রাজ্যের থাঞ্জাভুর এলাকায় পরিকল্পনা মাফিক জ্যামিতিক নিয়ম অনুসারে অক্ষীয় ও প্রতিসমরূপে গড়ে তোলা হয়েছিল, যা চোল রাজাদের নির্মিত দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্যশিল্পের উৎকর্ষের মধ্যে উৎকর্ষতম কীর্তি হিসাবে পরিচিত।
মন্দিরটি একটি বিশাল এলাকা জুড়ে, স্বাভাবিক অথবা মনুষ্য নির্মিত উচ্চ ভূমিভাগের উপর পরপর দুটি বর্গাকৃতি ক্ষেত্র, যার আয়তাকৃতি পরিমাপ পূর্ব থেকে পশ্চিমে 240.79মি(770.0ফুট) ও উত্তর থেকে দক্ষিণে 121.92মি (400.0ফুট) এবং সেই ক্ষেত্রের উপর মূল গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত মহাদেবের প্রতিমার লিঙ্গরূপে অধিষ্ঠানসহ আরও চারটি মণ্ডপ রয়েছে।
বৃহদীশ্বর শিবলিঙ্গটি আকৃতিগত বিচারেও অন্যতম বৃহৎ, যার উচ্চতা 8.7মিটার(29.0ফুট) এবং সেটি মন্দিরের প্রায় দুটি তলা জুড়ে অবস্থিত।
চোল যুগের স্থপতি ও কারুশিল্পীগণ নিজেদের দক্ষতা ও নিপুনতাকে উচ্চতার এতটাই চরম সীমায় নিয়ে গিয়েছিলন যে, গ্রানাইট পাথরের এক বৃহৎ খণ্ডকে, সুষমামণ্ডিতরূপে 63.4মি( 208.0ফুট) উপরে মন্দির চূড়ায় স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন, যা সেযুগের ক্ষেত্রে প্রাযুক্তিক দিক থেকে, আজ এক বিস্ময়কর উৎকর্ষতার পরিচায়ক।
* তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের শ্রীবিমান ও সুবৃহৎ স্তুপিকা।
শ্রীবিমান:- গর্ভগৃহের ছাদ থেকে উপরের যে অংশটি, তার সবথেকে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল অনেকগুলি চতুষ্কোন পিরামিড আকৃতির বর্গাকার তলা, ক্রমাগত ছোট হয়ে বিশাল আকৃতি ধারণ করেছে, তা সম্পূর্ণ গ্রানাইট প্রস্তর নির্মিত ও দৃষ্টিনন্দনও।
* স্তুপিকা:- এছাড়াও স্থপতিগণ একটি 80.0টন ওজনের বর্গাকৃতির প্রস্তর ব্লককে মন্দির শিখরের সর্বোচ্চ তলায় স্থাপন করেছিলেন ও তার উপর স্থাপিত হয়েছিল এক জোড়া শিব বাহন নন্দীষণ্ডের প্রতিকৃতি, যার প্রতিটির আয়তন প্রায় 1.98মি(6ফুট 6ইঞ্চি)/1.8মি(5ফুট 6ইঞ্চি)।
কথিত আছে, প্রাচীনকালে সম্পূর্ণ স্তুপিকাটি স্বর্ণ দ্বারা মণ্ডিত ছিল।
এছাড়া, প্রাচীনকালে সুদক্ষ স্থপতিগণ দ্বারা কোন এক প্রাযুক্তিক প্রকৌশলে এই মন্দিরের চূড়াটি এমনভাবে নির্মিত হয়েছিল যে, বিকালবেলায় মন্দির চূড়ার কোন ছায়া মাটিতে পড়ে না।
মন্দিরের বর্গাকৃতি গর্ভগৃহটি 0.5মি(1ফুট 8ইঞ্চি) মোটা ভিত্তির উপর সংস্থাপিত এবং তার থেকে 140সেমি উচ্চ উপপীঠম্ ও 360সেমি উচ্চ আদিস্থানম্ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে।
বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের চতুষ্পার্শ্বে হিন্দু ধর্মের রীতি অনুসারে, ভক্তগণের মন্দির প্রদক্ষিণ করার জন্য 450মি(1480.0ফুট) পরিধিযুক্ত একটি ঢাকা বারান্দা রয়েছে।
তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরটি নির্মানের ক্ষেত্রে কোন প্রকার সিমেন্ট প্রভৃতি দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয় নি, গ্রানাইট প্রস্তরখণ্ডগুলিকে কেবলমাত্র খিলানের সাহায্যে এমনভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে যে, সেগুলি সাধারণ দৃষ্টিতে বোঝা যায় না এবং এই বৃহৎ গ্রানাইট প্রস্তরগুলি 60কিমি দূরবর্তী তিরুচিরাপল্লী থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল।
* গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দির সংক্রান্ত কিছূ তথ্য :-
মহারাজ প্রথম রাজরাজ চোলের সুযোগ্য পুত্র মহারাজ প্রথম রাজেন্দ্র চোল কর্তৃক গঙ্গানদীর উপকূলবর্তী পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য জয়ের স্মারক হিসাবে তিনি তাঁর রাজধানী তাঞ্জাভুর থেকে সত্তর কিমি দক্ষিণ-পূর্বে গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ নামক স্থানে সরিয়ে আনেন ও সেখানে একটি কোণ্ড তথা কূপ নির্মান করে গঙ্গানদী থেকে আনীত পবিত্র গঙ্গাজল দ্বারা তা পূর্ণ করেন ও সেখানে তাঞ্জাভুরের ন্যায় একটি বৃহদীশ্বর শিব মন্দির নির্মান করেন।
গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরটি তাঞ্জাভুর মন্দির অপেক্ষা আকৃতিগত ভাবে কিছুটা ছোট হলেও শিল্পসুষমা ও সূক্ষ্ম কারুকার্যের দিক থেকে অনেক বেশী মহিমাণ্বিত ও দর্শনীয়।
দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্যের চরম নিদর্শন স্বরূপ গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দির 1035খৃঃ প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দক্ষিণ ভারতসহ পার্শ্ববর্তী বহু দ্বীপ এলাকায় ছড়িয়ে পড়া চোল স্থাপত্য "The great living Chola temples" এর অন্তর্ভুক্ত এবং দ্বাদশ শতাব্দীর আরও কয়েকটি মন্দির গুচ্ছ সহ "World Heritage Site" হিসাবে 1987সালে তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দির ও পরবর্তীকালে গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দির এবং দারাসুরামের ঐরাবতেশ্বর শিব মন্দির, 2004সালে UNESCO কর্তৃক চোল রাজাদের শৈল্পীক আদর্শের নিদর্শন হিসাবে সাংস্কৃতিক(cultural) পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করে।
* তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরে অগ্নিকাণ্ড।
1997 সালের 11ই জুন মন্দির প্রাঙ্গনে বহু দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে 'কুম্ভাভিষেকম্' উৎসবকালে আতসবাজির অগ্নিস্ফুলিঙ্গ থেকে মন্দির সংলগ্ন একটি কুঁড়েঘরে আগুন লাগে ও মন্দির প্রাঙ্গনে আতঙ্কগ্রস্ত পূণ্যার্থীগণের হুড়োহুড়ির মধ্যে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যায় ও তার ফলে প্রায় 48জন ভক্ত দর্শনার্থী প্রাণ হারান এবং দু'শো জনের অধিক পূণ্যার্থী আহত হন।
* তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরে অবস্থিত নন্দীকেশ্বর মূর্তি।
তাঞ্জাভুর শিব মন্দিরের সম্মুখভাগে অবস্থিত শিববাহন নন্দীকেশ ষণ্ড মহারাজের একটি সুবৃহৎ একশিলা গ্রানাইট প্রস্তর মূর্তি অবস্থিত।
যেটি ভারতবর্ষের শিব মন্দিরসমূহে অবস্থিত নন্দী ষণ্ডের সর্ববৃহৎ মূর্তিগুলির মধ্যে একটি অন্যতম বৃহৎ।
একশিলা নির্মিত নন্দীমূর্তিটির আয়তন 2মি উচ্চ, 6মি লম্বা ও 32.50মি চওড়া এবং মূর্তিটির ওজন 250টন(প্রায়)।
* গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের চূড়া।
মন্দির চূড়াটি 53মি(173.884ফুট) যা তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর মন্দিরের আদলে ক্রমাগত ছোট হওয়া স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়েছে। খাঁজ কাটা কোণগুলি খাড়াভাবে উপরের দিকে উঠে গিয়েছে এবং শীর্ষদেশে একটি স্তুপ আকৃতির প্রস্তর স্থাপিত হয়েছে যা তৎকালীন দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্যরীতির অন্যতম অনুসারী।
* গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের গর্ভগৃহ ও শিবলিঙ্গের পরিমাপ।
তাঞ্জাভুর শিব মন্দিরের 70কিমি দক্ষিণ-পূর্বে গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরম্ শিব মন্দিরটি অবস্থিত। এখানে শিব মন্দিরটির গর্ভগৃহ 30.48মি (100ফুট) দীর্ঘ, মহামণ্ডপটি53.34মি(175ফুট) ও মহামণ্ডপের সংযোগ রক্ষাকারী অধিমণ্ডপটি 19.81মি(65ফফুট)দীর্ঘ।
গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরমের মূল গর্ভগৃহে যে শিবলিঙ্গমটি অবস্থিত সেটি 4মি(13.12336ফুট) উচ্চ ও 18মি(59ফুট) ব্যাসযুক্ত।
এখানকার শিবলিঙ্গমটি তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিবলিঙ্গম্ যার উচ্চতা 8.7মি(25ফুট) অপেক্ষা আকৃতিগত দিক থেকে অবশ্যই কিছুটা ক্ষুদ্রতর।
অপরদিকে লক্ষণীয় যে উভয় শিবলিঙ্গমই একশিলা গ্রানাইট প্রস্তর দ্বারা নির্মিত।
* চোল যুগের স্থাপত্য ও ভাস্কর্য শিল্প।
একাদশ ও দ্বাদশ শতকে দক্ষিণ ভারতে চোল রাজবংশের রাজত্বকাল, ভারতবর্ষের মন্দির নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থাপত্য শিল্পীগণের যে উৎকর্ষতা লক্ষ্য করা যায়, তা শুধু মাত্র ভারতবর্ষ নয়, দেশের সীমা অতিক্রম করে পার্শ্ববর্ত্তী বহু দ্বীপরাষ্ট্র সমূহে বিস্তার লাভ করেছিল এবং তার নিদর্শন আজও তা পরিলক্ষিত হয়।
একাদশ শতাব্দীতে নির্মিত তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের নির্মাণশৈলী চোল স্থাপত্যকলাকে যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল তা একাদশ শতকের পূর্বে মন্দির নির্মাণ পদ্ধতির সমস্ত উৎকর্ষতাকে ছাপিয়ে গিয়েছিল।
চোল যুগের সুদক্ষ স্থাপত্য শিল্পীগণ প্রাযুক্তিক দিক থেকেও, যে যথেষ্ট উন্নত ছিল তারও বহুবিধ নিদর্শন, যেমন বিশাল ওজনের প্রস্তর খণ্ডের ব্যবহার, অন্য কোন পদার্থ ছাড়াই খিলান পদ্ধতির প্রাযুক্তিক কৌশল, জোড় মুখগুলিকে সুমসৃনভাবে মিলিয়ে দেওয়া(সেযুগের প্রেক্ষিতে), এই মন্দির সমূহের নির্মান কৌশলে প্রতিফলিত হয়েছে, যার সামান্য কিছু উদাহরণ এই লেখার মধ্যেই আমরা পাঠকগণের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি।
তাঞ্জাভুর বৃহদীশ্বর শিব মন্দিরের শ্রীবিমান তথা মন্দিরোপরি চূড়াটি ভারতবর্ষের সর্বোচ্চ মন্দির চূড়াগুলির মধ্যে অন্যতম।
মন্দির প্রাঙ্গনে পার্বতী, কার্তিকেয়, গণেশ,নন্দীকেশ্বর প্রভৃতি অনেক দেবদেবীর মূর্তিসহ মন্দির রয়েছে ও সেই সব মন্দিরে দেব-দেবীগণের নিত্য পূজাপাঠ হয়ে থাকে।
তাঞ্জাভুর, গঙ্গাইকোণ্ড চোলপুরমের বৃহদীশ্বর শিব মন্দির ও দারাসুরামের ঐরাবতেশ্বর শিব মন্দির সমূহকে World heritage site হিসাবে স্বীকৃতি প্রদানের মধ্যে দিয়ে চোল স্থাপত্য শিল্পকে সারা বিশ্বে যথাযোগ্য সন্মান প্রদান করা হয়েছে এবং সেজন্য ভারতবাসী হিসাবে আমরা অবশ্যই গর্ব বোধ করি।
সুধী পাঠকবৃন্দ! আশাকরি চোল যুগের স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষতার কিছু নিদর্শন আপনাদের অবগতির জন্য তুলে ধরতে পেরেছি। এসম্পর্কে আরও কিছু জানতে হলে আমাদের জানান। লেখাটি সম্বন্ধে কমেণ্ট ও বন্ধুজনের নিকট শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।